রবিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০১৫

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:


ছাত্র সেনা প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:
মহান আল্লাহপাক সর্বশক্তিমান,সদা সর্বত্র বিরাজমান,লা শারীক।তাঁর মহত্ব বিশালত্ব মানুষের ইন্দ্রিয় গ্রাহ্যতার অতীত।সমগ্র সৃষ্টি তার আমোঘ নিয়মের অধীন।তিনিই একমাত্র সার্বভৌম শক্তি,একমাত্র শাসক,একমাত্র আদেশদাতা।তিনিই স্বয়ং সম্পূর্ণ তিনিই গানীউন হামীদ। রাহমাতুল্লিল আলামিন শাফিউল মুজনেবীন হযরত মুহাম্মাদ মুস্তাফা(দঃ)সৃষ্টিকুল শ্রেষ্ঠ সর্বশেষ রাসুল,সমগ্র মানবজাতির জন্য শ্রেষ্ঠতম উদাহরন।তিনি পরম পবিত্র,সকল দোষত্রুটি ও সমালোচনার উর্ধ্বে।তিনি একাধারে শ্রেষ্ঠনবী,রাষ্ট্রনায়কঅর্থনীতিবিদআইনদাতাপ্রশাসক,সমাজবিদ ও সেনাপতি।তার(দঃ) প্রতি ভালোবাসা ব্যতিত আল্লাহরনৈকট্য প্রাপ্তির উপায় নাই।সকল নবী ও রাসুল পুতঃপবিত্র,খোলাফায়ে রাশিদা রাসুল(দঃ)এর সকল দিকের শ্রেষ্ঠ অনুসারী।সাহাবায়ে কিরাম এবং আহলে বায়েতগন উচ্চতর মর্যাদার অধিকারী।মাজহাবের ঈমামগন,ওলী আউলিয়া,মুজতাহিদ,মুফাচ্ছির এবংহাক্কানী উলামায়ে আল্লাহ-রাসুল (দঃ)এর যথার্থ প্রতিনিধি।
সুতরাং বিনা শর্তে বিনা দ্বিধায় আল্লাহ ও তার প্রিয় হাবিব (দঃ) এর আধ্যাতিক ও জাগতিক সকল দিকের বিশ্বস্ত অনুসরন খোলাফায়ে রাশেদা সাহাবায়ে কিরাম ও আহলে বায়েতদের প্রতি অকুন্ঠ নিষ্ঠা,ইমাম,অলীআউলিয়া,মুজতাহিদ,মুহাদ্দিস আলেম প্রমুখের প্রতি প্রগাড় শ্রদ্বাই হলো ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা।
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ই ইসলামের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা বিশ্বাসী।আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ই পরিপুর্ণ ইসলাম কায়েমের চিরায়ত জ্বিহাদে আত্ননিইয়োজিত।সুতরাংনাম।আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের পথই একমাত্র সিরাতুল মুস্তাকীম।
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (দঃ) ভবিষ্যতবানী করেছেন বনী ইস্রাঈল সম্প্রদায় বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছিল। কিন্তু আমার উম্মত বিভক্ত হবে তিহাত্তর দলে। এদের মধ্যে একটি দল ব্যতিত সবই জাহান্নামী।সাহাবাগন (রাঃ) আরজ করলেন ইয়ারাসুল্লাহ(দঃ) তন্মধ্যে মুক্তি পাবে কারাতিনি ইরশাদ করেছেন যারা আমি এবং আমার সাহাবিদের আদর্শে প্রতিষ্ঠিত থাকবে।(ছিহাছিত্তা) এ হাদিসের ব্যাখ্যায় মিরকাত শরহে মিশকাত এর প্রনেতা সর্বজন স্বীকৃত হাদিসবেত্তা মোল্লা আলীক্বারী (রহঃ) উক্ত কিতাবে উল্লেখ করেছেন এতে সন্দেহের অবকাশ নেই যে,উপরোল্লেখিত হাদিসে বর্ণিত নাজী বা জান্নাতী দল হল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বা জামাআতে আহলে সুন্নাত। তাফসীরকারক,হাদিস বিশারদ,মাজহাবের ইমাম ও আউলিয়া কিরামগন এ জামাতের বা দলেরই অর্ন্তভূক্ত।
এক
ঔপনিবেশিক শাসন শোষনের বিরুদ্বে এক অতুলনীয় রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মাধ্যেমে ১৯৭১ সালে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।এই স্বাধীনতার জন্য অস্ত্রধারন করেছে লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্বা,প্রান দিয়েছে অগনিত মানুষ,অযুত পরিবার স্বীকার করেছে অবর্ননীয় ত্যাগ তিতিক্ষার।কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় সঠিক নেতৃত্ব,সংগঠন ও সঠিক দিকদর্শনের অভাবে রক্তমুল্ল্যে অর্জিত এই সুফল আজও বাংলাদেশ এর আপামর জনসাধারনের ঘরে ঘরে পৌছায়নি। অনেক তথাকথিত আদর্শের মহড়া হয়েছে কিন্তু নিপিড়িত মানবতার মুক্তি আজো রয়ে গেছে সুদুর পরাহত।আজও বাংলাদেশের ১৪ কোটি মানুষের চরম দারিদ্রতা,প্রবঞ্চনা,হতাশা ও অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুল্যে গড়ে উঠেছে কয়েকশত কোটিপতি পরিবার।ঘুষ,দূর্নীতি,কালোবাজারী,চোরাচালানী,খূন রাহাজানি,চুরি ডাকাতি সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে।অশ্লীলতা,মাদকাসক্তি,বেকারত্ব ও হতাশা জনগনকে বিশেষ করে তরুন সমাজকে কুরে কুরে খাচ্ছে।অর্থনৈতিক ভাবে দেশ আজ হয়ে পড়েছে ভিক্ষা নির্ভর।একদিকে আওড়ানো হচ্ছে ইসলামের বুলি অন্যদিকে যাবতীয় অনৈতিক ও অনৈসলামিক কর্মকান্ডকে দেওয়া হচ্ছে বেপরোয়া পৃষ্ঠপোষ্কতা।এই শ্বাসরুদ্বকর অবস্থার কবল থেকে ১৪ কোটি আদম সন্তানের মুক্তির উপায় কি?
দুই
বাংলাদেশের শতকরা ৮৫ ভাগ মানুষ ধর্মপ্রান মুসলমান।এই মুসলিম অধ্যুষিত দেশটিতে বহু তন্ত্রমন্ত্রের এক্সপেরিমেন্ট হয়েছে,বহু দফা ওয়াদার গলাবাজী হয়েছে,আজও হচ্ছে কিন্তু ইতিহাস প্রমান করেছেএতোদিন যে পথ অনুসৃত হয়েছে সেপথে মুক্তির কন সম্ভাবনা নেই।
শতাব্দীর অভিজ্ঞতা থেকে এটা স্বতঃসিদ্ব রুপে প্রমানিত হয়েছে যে,১৪ কোটি মানুষের সার্বিক মুক্তির একমাত্র পথ বাংলাদেশের মাটিতে সত্যিকার ইসলামী শাষন প্রতিষ্ঠা আর কুরআন-সুন্নাহ এর একনিষ্ঠ অনুসরনও বাস্তবায়ন।আর এ কাজ সম্ভব একমাত্র সম্ভব আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের।আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুসারীরাই পুর্ণাঙ্গ ইসলামী জীবন দর্শনে বিশ্বাসী অন্যান্য সকল দল,উপদল বাতিলপন্থী।তারা কোন না কোন ফির্কার অন্তর্ভূক্ত।
তিন
যেহেতু ইসলাম একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন দর্শন সেহেতু কায়েম করতে হবে দেশ ও সমাজের ক্ষেত্রব্যাপী। দেশের সামাজিক রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক,প্রাশাসনিক সাংস্কৃতিক সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহ ও তার রাসুল (দঃ) এর বিধি বিধান কায়েমের মাধ্যমেই ইসলামের পরিপূর্ণ বিকাশ সম্ভব।তার জন্য প্রয়োজন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের অনুসারী সকল ওলী আউলিয়া,পীর মাশায়েখমুজতাহিদ,মুফাচ্ছিরমুহাদ্দিস,ফকির,আলেমশিক্ষকসাংবাদিকবুদ্বিজীবি,ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশার মানুষ,শ্রমিক,কর্মকর্তা কর্মচারী,ছাত্রছাত্রীদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য।
চার
বিশ্বজুড়ে আজ বাজছে পুজিবাদ সমাজতন্ত্র সহ বিভিন্ন তথাকথিত ইজমের অনিবার্য মৃত্যুঘন্টা।তাই এসব ইজমের অনুসারীরা মরিয়া হয়ে শুরু করেছে শাশ্বত ইসলামের বিরুদ্বে চক্রান্ত।বাংলাদেশে ও চলছে এদের গভীর ষড়যন্ত্র।তাছাড়াখারেজী শিয়া,মোতাজিলা,মুর্জিয়া,নাজজারিয়া,জাবারিয়া,মোশাবেহা,কাদিয়ানী,মওদুদীবাদ,ওহাবীবাদসহ বিভিন্ন বাতিল সম্প্রদায় ইসলামের নামে স্বীয় মনগড়া দল ভবিষ্যতের কর্ণধার ছাত্র সমাজকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টায়,লিপ্ত রয়েছে। এই পরিস্থিতিরমোকাবেলার জন্যই আল্লাহ তায়ালা বলেছেন তোমাদের মধ্যে একটি দল থাকতে হবে,যে দল মানুষকে সুকর্মের দিকে আহবান জানাবে এবং দুষ্কর্ম থেকে বিরত রাখবে। এ ধরনের মানুষেরাই হবে কল্যান প্রাপ্ত।
এই দায়িত্ববোধ থেকে ইসলাম বিরোধী ও বাতেল পন্থীদের মোকাবেলায় বাংলাদেশে সত্যিকার ইসলামি সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের লক্ষ্যে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত এর অনুসারী সকল মানুষকে বিশেষঃত রাসুল (দঃ) প্রেমে উদ্দীপ্তসত্য সন্ধানী সমাজকে ঐক্যবদ্ব্ করার উদ্দেশ্যে ১৯৮০ সালের ২১ জানুয়ারী বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার জন্ম।এটাই দেশব্যপী সুন্নী জনতার একক আদর্শবাদী সংগঠন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সহগামী সম্মেলন ও কাউন্সিল ৩১ শে জানুয়ারী


আগামী ৩১ জানুয়ারী,শনিবার সকাল- ৯টা হতে
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার সহগামী সম্মেলন
ও কাউন্সিল-১৪ অনুষ্ঠিত হবে।
# স্থান :ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন হল,রমনা।
#প্রধান অতিথি:জননেতা এম এ মতিন, মহাসচিব-বাংলাদেশ
ইসলামী ফ্রন্ট।
# প্রধান বক্তা:যুবনেতা অধ্যাপক এম এ মোমেন,সভাপতি - বাংলাদেশ
ইসলামী যুবসেনা।
# সভাপতিত্ব করবেন- ছাত্রনেতা মুহাম্মদ নূরুল হক চিশতী, সভাপতি - বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা। ।।।

শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০১৫

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ঢাকা বিভাগীয় সমাবেশঃ লাখো কণ্ঠে ইয়া নবী সালাম আলাইকা পাঠ


লাখো নবীপ্রেমিকদের অংশগ্রহণে এই প্রথমবারের মত গতকাল রাজধানীর বুকে লাখো কণ্ঠে ইয়া নবী সালাম আলাইকা পাঠে। দরুদ ও সালাত-সালাম সূমধুর ধ্বনিতে মুখরিত জাতীয় প্রেসক্লাব চত্ত্বরসহ পুরো ঢাকা শহর।
সেই সাথে অত্যন্ত সফল ভাবে সম্পন্ন হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, রাজশাহী ও রংপুরে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত মতাদর্শের অদ্বিতীয় আদার্শবাহী রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি ও শহীদে মিল্লাত আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহঃ) হত্যাকারী খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে সাত বিভাগীয় ছাত্রসমাবেশ।
(আলহামদুলিল্লাহ)
এ প্রথম বারের লাখো কণ্ঠে ইয়া নবী সালাম আলাইকা পাঠ হয়েছে।
আপনার অনুভুতি কেমন লেগেছে?? কমেন্ট করুন।


শেয়ার করুন

৫ দফার ভিত্তিতে সংলাপ আহ্বান ইসলামী ফ্রন্টের


দেশের সব রাজনৈতিক দলকে পাঁচ দফার ভিত্তিতে সংলাপে বসার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।
প্রস্তাবগুলো হলো-
সরকারকে রাজনৈতিক দল বা জনগণের দাবি মেনে নেওয়ার নীতিমালা নির্ধারণ, অবরোধ বন্ধে নীতিমালা প্রণয়ন, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়া ও তাদের নির্বাহী ক্ষমতা নির্ধারণ ও জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পর্ক ছিন্ন করার নীতিমালা প্রণয়ন করা। এছাড়াও দু’বার সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানের দায়িত্ব পালনকারীদের দল থেকে অবসরের পরিকল্পনা প্রণয়নের প্রস্তাবও করা হয় দলটির পক্ষ থেকে। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্প্রসারিত মিলনায়তনে দেশের সংঘাতময় পরিস্থিতি উত্তরণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ফ্রন্টের পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব জননেতা এম এ মতিন। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সাংগঠনিক সচিব আল্লামা আনম মাসউদ হোসাইন আলকাদেরী, ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক এম এ মোনেম, বাংলাদেশ ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নুরুল হক চিশতী, মাওলানা হাফিজুর রহমান শাহিন
আশরাফী, মাওলানা আশরাফুল আজিজ 
প্রমুখ।

বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০১৫

Bangladesh Islami Chattrasena Celebrates 35th Anniversary

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ.) এর হত্যাকারীদের শাস্তির দাবীতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় #ছাত্রসমাবেশ ২০ দলের হরতাল-অবরোধের মধ্যেও লাখো লাখো শান্তিপ্রিয় ছাত্রজনতার অংশগ্রহণে বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এতে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা, বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত সমন্বয় কমিটির নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন দরবার শরিফের সাজ্জাদানশীল পীরগন তাদের মূল্যবান বক্তৃতা প্রদান করেন ।।
স্মরণ কালের সর্ববৃহৎ ¤ছাত্র সমাবেশ 


রবিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০১৫

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর স্মারকগ্রন্থ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও শহীদে মিল্লাত আল্লামা নূরুল ইসলাম ফারুকী (রহ)'র হত্যাকারীদের

দ্রুত গ্রেফতার পূর্বক বিচারের দাবীতে ২১ জানুয়ারী চট্টগ্রাম বিভাগীয় ছাত্রসমাবেশের স্মারকগ্রন্থ " দীপ্তি "। 
সুন্নী অঙ্গনের বিশিষ্ট কলামিস্ট লেখক,গবেষক, ইসলামী চিন্তাবিদ,গল্পাকার, ছড়াকারদের
সুচিন্তিত, গবেষণাধর্মী, মজাদার ও চিত্তাকর্ষক লেখায় সাজানো
সংগঠনের ৩৫তম বর্ষপূর্তির
এ স্মারকগ্রন্থ।


শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১৫

ঈদে মীলাদুন্নবী( দ.) মাহফিলে হামলাঃ ছাত্রসেনার নিন্দা


কর্ণফুলী নিউজ ডেস্কঃ রাঙ্গুনীয়া পূর্ব সরফ ভাটায় পবিত্র ঈদে মীলাদুন্নবী (দ) মাহফিলে রাংগুনিয়া রাহাতিয়া দরবার
শরীফের সাজ্জাদানশীন শাহাজাদা সৈয়দ
ওবাইদুল মোস্তফা নঈমীর উপর ওহাবী-হেফাযতীরা হামলা করেছে।প্রতক্ষ্যদর্শীর জানান,মাহফিলে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সমর্থনে নির্বাচিত ভাইস-চেয়ারম্যান মানবাধিকার কর্মি আখতার হোসেন অতিথি ছিলেন, হেফাযতীরা সুন্নীয়তের উত্থানে ঈর্ষান্বিত হয়ে মাহফিলে হামলা করে।
এদিকে মাহফিলে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে- বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি শাহাদাত হুসাইন, সাধারণ সম্পাদক নুরুল্লাহ রায়হান, উত্তর জেলার সভাপতি হাফেয শহীদুল্লাহ,সাধারন সম্পাদক আবু মূসা,দক্ষিণ জেলার সভাপতি আরিফুল হক রানা,সাধারণ সম্পাদক নিজামুল করিম সুজন,চবি সভাপতি মন্জুর মোরশেদ। 
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তারপূর্বক শাস্তীর দাবী জানান।

২১শে জানুয়ারি ছাত্রসেনার ৩৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও শহীদ আল্লামা ফারুকী (রহ) এর হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে ছাত্র মহাসসমাবেশ

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী  ও শহীদ আল্লামা নুরুল ইসলাম ফারুকী (রহ) এর হত্যাকারীদের সবোর্চ্চ শাস্তির দাবিতে ২১শে জানুয়ারি মহা ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । এতে সর্বস্তরের জনগণ কে উপস্থিত হয়ে মহা জনসমুদ্রে  পরিণত করার আহব্বান জানানো যাচ্ছে।

ছাত্রসেনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ছাত্রসেনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

ছাত্রসেনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ আল্লাহ তায়লা প্রদত্ত ও তার প্রিয় হাবিব (দঃ) প্রদর্শিত বিধানানুসৃত আহালে সুন্নাত ওয়াল জামাত এর আদর্শলোকে মানব জীবনে মহানবী (দঃ)এর মহান আদর্শ প্রতিপালন এর মাধ্যমে আল্লাহ ও তার রসুল(দঃ) এর সন্তুষ্টি অর্জন।